স্টার লাইন ডেস্ক:
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে নির্মাণাধীন সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৫নং ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর এলাকার ৬নং ওয়ার্ডের নজু মিয়ার বাড়ির বাসিন্দা আজাদুল ইসলাম (পিতা: মরহুম বদিউল আলম) গত ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে দাগনভূঞা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৬ সালে তিনি তার কাকার কাছ থেকে ৮ শতক জমি ক্রয় করেন এবং পরবর্তীতে জমির চারপাশে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে দখল প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু পার্শ্ববর্তী বাড়ির প্রায় ৭০ বছর বয়সী আবু বকর মিরন ওই জমি নিজের দাবি করে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হলেও সমাধান হয়নি। অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে একাধিক মামলা দায়ের করা হলেও সেগুলো খারিজ হয়ে যায়। আদালতের রায় পাওয়ার পর আজাদুল ইসলাম নিজ জমিতে ঘর নির্মাণ শুরু করলে বিরোধ পুনরায় তীব্র আকার ধারণ করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আবু বকর মিরন নির্মিত সীমানা দেয়াল ভেঙে ফেলার হুমকি দেন এবং চলাচলের পথ দাবি করে চাপ সৃষ্টি করেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ৯ এপ্রিল সকালে ও ১৯ এপ্রিল বিকেলে ২০-২৫ জন ভাড়াটে লোক নিয়ে এসে নির্মাণাধীন দেয়াল ভেঙে ফেলা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় আবেদন জানানো হয়েছে।
এদিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, ফেনীতে দায়েরকৃত একটি মামলায় (মিস-১০/২০১৭) বিবাদীপক্ষ দাবি করেছে যে তদন্তকারী কর্মকর্তার সরেজমিন তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি এবং বাদী অসৎ উদ্দেশ্যে এক ব্যক্তিকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ফলে বিবাদীপক্ষ মামলার দায় থেকে অব্যাহতির আবেদন জানিয়েছে বলে জানা যায়।
উভয় পক্ষের বক্তব্য ও পাল্টা অভিযোগের মধ্যে জমি বিরোধটি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে আবু বকর মিরন জানান, আমাদের বহু বছরের চলাচলের জায়গা তারা আওয়ামিলীগের আমলে জোরপূর্বক দখন করে ঘর ও প্রাচির নির্মান করে। যার কারনে আমাদের চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে। তাদেরকে বার বার করে সমাধান করতে বললেও তারা সমাধান করেনাবলেই আমি আমাদের পুরোনো জায়গা ভাঙতে বাধ্য হয়েছি।
| ফজর | ৫.০০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪.৩০ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ৬.০০ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৫০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |